হার্ট অ্যাটাকের শিকার তামিম ইকবালের দ্রুততম সময়ে চিকিৎসা ও রিং পরানো নিয়ে জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের হৃদ্রোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আবরার কায়সার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
ডা. কায়সারের মতে, হার্ট অ্যাটাকের পর দ্রুত চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। জটিলতা না থাকলে অ্যানজিওগ্রাম ও রিং পরানোর (স্টেন্টিং) প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। আন্তর্জাতিকভাবে এটিই আদর্শ চিকিৎসা। তবে, বাংলাদেশে রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হওয়া এবং সব হাসপাতালে এই সুবিধা না থাকায় সমস্যা হয়।
তামিম ইকবালের ক্ষেত্রে, মোহামেডানের ট্রেইনার ইয়াকুব চৌধুরীর তাৎক্ষণিক সিপিআর (কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিটেশন) প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বুকে পাঞ্চ করে হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখার এই চেষ্টা জীবনরক্ষাকারী পদক্ষেপ ছিল।
সাভারের কেপিজে হাসপাতালে তামিম ইকবালকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সেখানে হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মনিরুজ্জামান মারুফের নেতৃত্বে দ্রুত অ্যানজিওগ্রাম, অ্যানজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্টিং সম্পন্ন করা হয়। তামিম বর্তমানে করোনারি কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
এই ঘটনা আবারও সিপিআরের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। ডা. কায়সারের মতে, জীবন বাঁচাতে সিপিআর প্রশিক্ষণ সবার জন্য জরুরি। এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত না হয়েও শেখা যায়।
হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত অ্যানজিওগ্রাম ও স্টেন্টিংয়ের সুবিধাসম্পন্ন নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া উচিত। এতে মূল্যবান সময় বাঁচে, যা জীবন বাঁচাতে অত্যন্ত জরুরি।