সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

ফাইজারের নতুন থেরাপিতে ব্লাড ক্যানসারের চিকিৎসায় আশার আলো

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সুখবর। মাল্টিপল মায়েলোমা নামক ব্লাড ক্যানসারের চিকিৎসায় এলরেক্সফিও নামে নতুন এক থেরাপি উদ্ভাবন করেছে ফাইজার। সোমবার এই থেরাপির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা (এফডিএ)।

এই থেরাপিতে ব্যবহৃত ঔষধি তরল সিরিঞ্জের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করানো হয়। এর ফলে ক্যানসার কোষ এবং রোগ প্রতিরোধী কোষের সমন্বয়ে এক ধরনের অ্যান্টিবডি তৈরি হয় যা ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে।

ফাইজারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৪৪ মিলিগ্রাম এলরেক্সফিওর একটি শিশির (ভায়াল) ন্যূনতম ৮ লাখ ২৯ হাজার ৮৯৬ টাকা (৭ হাজার ৫৫৬ ডলার) এবং ৭৬ মিলিগ্রামের একটি শিশির ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪২৬ টাকা (১৩ হাজার ৫১ ডলার)।

আট মাস ব্যাপী এই থেরাপিতে একজন রোগীর ন্যূনতম ব্যয় হবে ৪৫ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭ টাকা (৪১ হাজার ৫০০ ডলার)। তবে ফাইজার আশা করছে শিগগিরই এই ব্যয় ২৮ লাখ ৫৫ হাজার (২৬ হাজার ডলার) টাকায় নেমে আসবে।

এই থেরাপি যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে পাওয়া যাবে। তবে এটি গ্রহণের আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

ফাইজারের নতুন থেরাপিতে ব্লাড ক্যানসারের চিকিৎসায় আশার আলো

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৫২

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সুখবর। মাল্টিপল মায়েলোমা নামক ব্লাড ক্যানসারের চিকিৎসায় এলরেক্সফিও নামে নতুন এক থেরাপি উদ্ভাবন করেছে ফাইজার। সোমবার এই থেরাপির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা (এফডিএ)।

এই থেরাপিতে ব্যবহৃত ঔষধি তরল সিরিঞ্জের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করানো হয়। এর ফলে ক্যানসার কোষ এবং রোগ প্রতিরোধী কোষের সমন্বয়ে এক ধরনের অ্যান্টিবডি তৈরি হয় যা ক্যানসার কোষ ধ্বংস করে।

ফাইজারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৪৪ মিলিগ্রাম এলরেক্সফিওর একটি শিশির (ভায়াল) ন্যূনতম ৮ লাখ ২৯ হাজার ৮৯৬ টাকা (৭ হাজার ৫৫৬ ডলার) এবং ৭৬ মিলিগ্রামের একটি শিশির ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪২৬ টাকা (১৩ হাজার ৫১ ডলার)।

আট মাস ব্যাপী এই থেরাপিতে একজন রোগীর ন্যূনতম ব্যয় হবে ৪৫ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭ টাকা (৪১ হাজার ৫০০ ডলার)। তবে ফাইজার আশা করছে শিগগিরই এই ব্যয় ২৮ লাখ ৫৫ হাজার (২৬ হাজার ডলার) টাকায় নেমে আসবে।

এই থেরাপি যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে পাওয়া যাবে। তবে এটি গ্রহণের আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।