প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে চালু হতে যাওয়া ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে দেশি-বিদেশি ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে।
বেশ কয়েক বছরের প্রস্তুতি শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুন মাসে লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করে। শুরুতে আবেদনের শেষ সময় ছিল ১ আগস্ট। পরে তা বাড়িয়ে ১৭ আগস্ট করা হয়।
আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফোন অপারেটর, তথ্য প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ওষুধ কোম্পানি, ঢেউশিট উৎপাদনকারী কোম্পানি, রাইড শেয়ারিং ও ফুড ডেলিভারি কোম্পানি।
নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে আনা ও লেনদেন সহজ করতে সরকারের ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ গড়ার উদ্যোগে ডিজিটাল ব্যাংক চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ ছাড়াই পুরোপুরি প্রযুক্তি নির্ভর চলবে এই ব্যাংক।
ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য পাঁচ লাখ টাকা অফেরতযোগ্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর প্রথম শর্ত হলো ১২৫ কোটি টাকার ন্যূনতম মূলধন সংরক্ষণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, “ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য নির্ধারিত সময়ে ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এটা আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি।”
তিনি আরও বলেন, “এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে যেগুলো যোগ্য হবে তাদের লাইসেন্সের জন্য এলওআই (লেটার অব ইন্টেন্ট) দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড।”