এবি পার্টির জাতীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক ছিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, “যারা গত ৫৩ বছর ধরে দেশকে শাসন করেছেন, তারা বাংলাদেশকে দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে অনুন্নত ও দুর্বল জনপদে পরিণত করে রেখেছিলেন। এবি পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার জন্য। ‘ঈগল’ হচ্ছে দেশকে বদলে দেওয়ার প্রতীক।”
রবিবার বিকেলে চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িস্থ এবি পার্টির কার্যালয়ে “নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের বিকাশ ও দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজনীতি” শীর্ষক এক কর্মশালা, যোগদান ও ইফতার পার্টিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ছিদ্দিকুর রহমান চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিশ্চিত না করে চট্টগ্রাম পোর্ট থেকে অর্জিত রেভিনিউ এনবিআর ফান্ডে জমা করাকে চট্টগ্রামের প্রতি অবজ্ঞা বলে মন্তব্য করেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন করে বিনির্মাণ করার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং লোডশেডিং না হওয়ায় তিনি ডঃ ইউনুস এর সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “এবি পার্টি বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার রাজনীতি করছে। আমরা বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ এবং শক্তিশালী জনপদে পরিণত করবো। এবি পার্টির নিকট বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার জাদু আছে।” তিনি সবাইকে এবি পার্টির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর এবি পার্টির নেতা নূর আনোয়ার। এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর যুবনেতা রোটারিয়ান ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাকলিয়া থানা এবি পার্টির সমন্বয়ক মোহাম্মদ আজগর, বাকলিয়া থানা নেতা রুবিন, ইফতেখার চৌধুরী বজল।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের নেতৃত্বে আনোয়ার, নাজিম, ইব্রাহীম, আতাউর রহমান, হাসান আবদুল আলম, শাকের উদ্দিন, হাসান, ফারুক, কামরুল ইসলাম, মোশারফ, রাকিব, কাসেক, খোকন দাশ, বাবলু দাশ, ইমরানসহ তিরিশের অধিক ব্যবসায়ী ও শ্রমিক নেতা এবি পার্টিতে যোগদান করেন।