সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

সর্বশেষ

‘চট্টগ্রাম ২.০’ এর সমন্বয়ক ছিদ্দিকুর পেলেন এবি পার্টির বিভাগীয় দায়িত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক

আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. ছিদ্দিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘জনসংযোগ ও ব্র্যান্ডিং সমন্বয় কমিটি’র সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। ছিদ্দিকুর রহমান ‘চট্টগ্রাম ২.০’ এর সমন্বয়ক হিসেবেও পরিচিত।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) এবি পার্টির বিজয়নগরস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু এবং সভাটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সভা শেষে পার্টির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সার্কুলারে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তে মো. ছিদ্দিকুর রহমানকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ‘জনসংযোগ ও ব্র্যান্ডিং সমন্বয় কমিটি’র সমন্বয়ক মনোনীত করা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সার্কুলারে বলা হয়, ছিদ্দিকুর রহমান প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত। তিনি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ অন্যতম সক্রিয় সংগঠক হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রামের উন্নয়নে তাঁর পাঁচ দফা প্রস্তাবনা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে, যার মধ্যে কর্ণফুলী নদীকেন্দ্রিক তেরটি সিস্টার সিটির সমন্বয়ে ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ গঠনের প্রস্তাবনাও রয়েছে।

ছিদ্দিকুর রহমান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৩৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস (অনার্স) ও এমএসএস (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৭ সালে তিনি ‘উইশ-ওয়ার্ল্ড ইন্টেগ্রিটি ফর সার্ভিং হিউম্যানিটি’ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি “মাইক্রো সাপোর্ট” মডেলের উদ্ভাবক। এ দর্শনের ভিত্তিতে তিনি সিসিজেডএম–সেন্টার ফর করপোরেট জাকাত ম্যানেজমেন্ট, উইশ ব্যাংক এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আলোর স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।

ছাত্রজীবনে তিনি শিশু-কিশোর সংগঠন ‘অংকুর শিশু-কিশোর সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সম্পাদিত ‘অংকুর ভর্তি সহায়িকা’ চট্টগ্রামে পরিচিতি পেয়েছিল। এ ছাড়া তিনি রসুলবাগ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন, ফ্রন্ট ফাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং অপরাজেয় ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি চিটাগাং ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সায়েন্টিস্ট জামাল নজরুল ইসলাম একাডেমি এবং মেট্রোপলিটন সায়েন্স কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি ‘চট্টগ্রাম ২.০’ প্রতিষ্ঠা করেন।

পাঠকপ্রিয়