সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

এক বছরে ৫ লাখ সেনা হারিয়েছে ইউক্রেন: রাশিয়া

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনের প্রায় ৫ লাখ সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া। বিপুল এই প্রাণহানির ক্ষতি পূরণ করা কিয়েভের জন্য নিকট ভবিষ্যতে কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলেও মন্তব্য করেছে মস্কো।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বোর্ড সভায় দেশটির কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিয়ে বেলৌসোভ এই তথ্য তুলে ধরেন। ওই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আরটির বরাতে মন্ত্রী আন্দ্রিয়ে বেলৌসোভ জানান, চলতি বছরে ইউক্রেন শুধু জনবলেই নয়, সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামেও বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। তার দেওয়া তথ্যমতে, এ সময়ে ১ লাখ ৩ হাজারের বেশি সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান রয়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত এসব সরঞ্জামের বড় অংশই পশ্চিমা দেশগুলোর সহায়তায় পেয়েছিল ইউক্রেন।

বৈঠকে বেলৌসোভ মন্তব্য করেন, বিপুল প্রাণহানির প্রভাবে ইউক্রেনের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং বেসামরিক জনগণের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগ্রহ কমে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে রুশ বাহিনী সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এক ডিক্রির মাধ্যমে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। যুদ্ধের শুরুর দিকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদানের ন্যূনতম বয়স ছিল ২৭ বছর, যা পরে কমিয়ে ২৫ বছর করা হয়। এদিকে গত এক বছরে বিভিন্ন অঞ্চলে বাধ্যতামূলক সেনা সমাবেশ ঘিরে সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।

তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই দাবির বিষয়ে ইউক্রেন সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

এক বছরে ৫ লাখ সেনা হারিয়েছে ইউক্রেন: রাশিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩২

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেনের প্রায় ৫ লাখ সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া। বিপুল এই প্রাণহানির ক্ষতি পূরণ করা কিয়েভের জন্য নিকট ভবিষ্যতে কঠিন হয়ে দাঁড়াবে বলেও মন্তব্য করেছে মস্কো।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বোর্ড সভায় দেশটির কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিয়ে বেলৌসোভ এই তথ্য তুলে ধরেন। ওই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আরটির বরাতে মন্ত্রী আন্দ্রিয়ে বেলৌসোভ জানান, চলতি বছরে ইউক্রেন শুধু জনবলেই নয়, সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামেও বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে। তার দেওয়া তথ্যমতে, এ সময়ে ১ লাখ ৩ হাজারের বেশি সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান রয়েছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত এসব সরঞ্জামের বড় অংশই পশ্চিমা দেশগুলোর সহায়তায় পেয়েছিল ইউক্রেন।

বৈঠকে বেলৌসোভ মন্তব্য করেন, বিপুল প্রাণহানির প্রভাবে ইউক্রেনের সামরিক শক্তি পুনর্গঠন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং বেসামরিক জনগণের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আগ্রহ কমে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে রুশ বাহিনী সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এক ডিক্রির মাধ্যমে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। যুদ্ধের শুরুর দিকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদানের ন্যূনতম বয়স ছিল ২৭ বছর, যা পরে কমিয়ে ২৫ বছর করা হয়। এদিকে গত এক বছরে বিভিন্ন অঞ্চলে বাধ্যতামূলক সেনা সমাবেশ ঘিরে সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।

তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই দাবির বিষয়ে ইউক্রেন সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।