খুঁজুন
, ,
রবিবার, ৮ই নভেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম

কর্ণফুলী নদীর দখলদারদের তালিকা দিতে আরও দুই সপ্তাহ সময়

কর্ণফুলী নদীর দখলদারদের তালিকা দিতে আরও দুই সপ্তাহ সময়
নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:৫০

কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপ করে অবৈধ দখলদারদের তালিকাসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে সংশ্লিষ্টদের আরও দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৮ নভেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

কর্ণফুলী নদী রক্ষায় হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক জনস্বার্থ মামলায় আদালত নতুন করে এই সময় মঞ্জুর করেছেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর রুল জারির পাশাপাশি নদীর সীমানা জরিপ করে দখলদারদের তালিকা ও প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ওই সময় তিন মাস সময় বেঁধে দেওয়া হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি।

এ কারণে এইচআরপিবির পক্ষ থেকে আদালতে আবেদন করা হলে রোববার সেই আবেদনের শুনানি শেষে নতুন এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

শুনানিতে এইচআরপিবির পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, ২০২৩ সালে নির্দেশ দেওয়ার পরও প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় নদীর দখল ও দূষণ অব্যাহত রয়েছে।

এর ক্ষতিকর প্রভাব চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ওপর মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে বলে তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।

এই মামলায় এইচআরপিবির পক্ষে পিটিশনার হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারওয়ার আহাদ চৌধুরী।

শুনানিতে বাদীপক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মণ্ডল।

অন্যদিকে, শুনানিতে সরকারপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) শিহাব উদ্দিন খান।

মামলার বিবাদীদের মধ্যে রয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জন এই মামলায় বিবাদী হিসেবে রয়েছেন।

আদালতের এই নতুন সময়সীমার মধ্যে জরিপ প্রতিবেদন জমা পড়লে কর্ণফুলী নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ ও অবৈধ দখল উচ্ছেদে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রথমবার মন্তব্য করলে তা মন্তব্য নীতি অনুযায়ী যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়।

চট্টগ্রাম থেকে আরও