সামান্য জ্বর-সর্দি-কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা নতুন নয়। ডেঙ্গু জ্বরেও অনেকেই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে থাকেন। অথচ ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত রোগ, যেখানে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের এমন অপব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, “অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে জনগণকে সচেতন করতে হবে। কার্টুন বা ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে তাদের বোঝাতে হবে অযথা অ্যান্টিবায়োটিক কেন ক্ষতিকর।”
তিনি আরও বলেন, “অনেক দেশেই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নিষিদ্ধ। আমাদের দেশেও আইন থাকলেও তা কার্যকর হয় না। ফার্মেসিগুলোতে অবাধে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। আমরা জনগণকে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ঠেকাতে আমরা ফার্মেসি, পল্লী ডাক্তারসহ সকলকে সতর্ক করছি।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারের ফলে ভবিষ্যতে আরও বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখোমুখি হতে হবে। তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।