সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

৩০ বছর ধরে পানির অভাব: কর্ণফুলী আবাসিকের ৫১৯ পরিবার অনিশ্চয়তায়

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে খাবার পানির অভাবে ৩০ বছর ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন ৫১৯টি প্লটের মালিক।

১৯৯৪ সালে নগরীর ওপর জনসংখ্যার চাপ কমাতে সিডিএ কর্ণফুলী নদীর তীরে ৫১.৬৭ একর জমির ওপর এই আবাসিক প্রকল্পটি হাতে নেয়।

প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রোফাইলে সুপেয় পানি সরবরাহসহ সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি থাকলেও পানির অভাবে এখনও কোনো বাড়িঘর তৈরি হয়নি। টিউবওয়েলে লবণাক্ত পানি ওঠায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে সমগ্র এলাকাটি।

কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান বলেন, “প্লট কেনার ৩০ বছরেও আমরা ঘর বানাতে পারিনি। প্রজেক্ট প্রোফাইলে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের অঙ্গীকার থাকলেও সিডিএ কর্তৃপক্ষ কথা রাখেনি। পানির অভাবে জনবসতি গড়ে ওঠেনি।”

অযত্নে অবহেলায় পুরো এলাকাটি ঝোপ-জঙ্গলে ভরে গেছে। ফলে রাতের বেলায় এলাকাটি ভয়ংকর হয়ে ওঠে।

এ অবস্থায় সিডিএর নতুন চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নুরুল করিম ওয়াসার ভান্ডালজুরি পানি শোধনাগার প্রকল্প থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য ওয়াসার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পত্র দিয়েছেন।

পত্রে তিনি উল্লেখ করেন যে, ভান্ডালজুরি পানি শোধনাগার প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলী নদীর বাম তীরে অবস্থিত শিল্প-কারখানা এবং জনবসতি এলাকায় ওয়াসা পানি সরবরাহ করছে। কিন্তু সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেছেন যে, ওয়াসা কর্তৃপক্ষ আশেপাশের এলাকার মতো কর্ণফুলী আবাসিক এলাকাকেও পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

৩০ বছর ধরে পানির অভাব: কর্ণফুলী আবাসিকের ৫১৯ পরিবার অনিশ্চয়তায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:৫৫

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে খাবার পানির অভাবে ৩০ বছর ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন ৫১৯টি প্লটের মালিক।

১৯৯৪ সালে নগরীর ওপর জনসংখ্যার চাপ কমাতে সিডিএ কর্ণফুলী নদীর তীরে ৫১.৬৭ একর জমির ওপর এই আবাসিক প্রকল্পটি হাতে নেয়।

প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রোফাইলে সুপেয় পানি সরবরাহসহ সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধার প্রতিশ্রুতি থাকলেও পানির অভাবে এখনও কোনো বাড়িঘর তৈরি হয়নি। টিউবওয়েলে লবণাক্ত পানি ওঠায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে সমগ্র এলাকাটি।

কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক সমিতির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান বলেন, “প্লট কেনার ৩০ বছরেও আমরা ঘর বানাতে পারিনি। প্রজেক্ট প্রোফাইলে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের অঙ্গীকার থাকলেও সিডিএ কর্তৃপক্ষ কথা রাখেনি। পানির অভাবে জনবসতি গড়ে ওঠেনি।”

অযত্নে অবহেলায় পুরো এলাকাটি ঝোপ-জঙ্গলে ভরে গেছে। ফলে রাতের বেলায় এলাকাটি ভয়ংকর হয়ে ওঠে।

এ অবস্থায় সিডিএর নতুন চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নুরুল করিম ওয়াসার ভান্ডালজুরি পানি শোধনাগার প্রকল্প থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য ওয়াসার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পত্র দিয়েছেন।

পত্রে তিনি উল্লেখ করেন যে, ভান্ডালজুরি পানি শোধনাগার প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলী নদীর বাম তীরে অবস্থিত শিল্প-কারখানা এবং জনবসতি এলাকায় ওয়াসা পানি সরবরাহ করছে। কিন্তু সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেছেন যে, ওয়াসা কর্তৃপক্ষ আশেপাশের এলাকার মতো কর্ণফুলী আবাসিক এলাকাকেও পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসবে।