সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

মিরসরাই মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার: ১৭ বছর পর পুনরুজ্জীবনের আশা

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবলের অভাবে ২০০৭ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের একমাত্র সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি ১৭ বছর পর আবারো উৎপাদনে ফিরতে যাচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর খামারটি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে গ্রামীণ ব্যাংক খামারটি চুক্তিভিত্তিক নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং পরে ওই বছরই সরকারের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর থেকে খামারটি পুরোপুরিভাবে উৎপাদনে যেতে পারেনি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সংস্কার করা হলেও লোকবল সংকটে তা বন্ধ হয়ে যায়।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন খামারটি চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন। খামারের ব্যবস্থাপক মো. মোতাছিম বিল্লাহ ইতোমধ্যে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। তিনি আশা করছেন আগামী মৌসুম থেকে খামারটি আবার রেণু উৎপাদন শুরু করতে পারবে।

চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ জানিয়েছেন, “আমরা মৎস্য খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় খামারটি সংস্কার করব। আগামী অর্থবছর থেকে খামারটি রেণু উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

এই খামারটি পুনরায় চালু হলে মিরসরাইয়ের মৎস্যচাষীরা সহজেই গুণগত মানসম্পন্ন মৎস্য বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

মিরসরাই মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার: ১৭ বছর পর পুনরুজ্জীবনের আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৭:২৩

রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবলের অভাবে ২০০৭ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের একমাত্র সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি ১৭ বছর পর আবারো উৎপাদনে ফিরতে যাচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর খামারটি পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে গ্রামীণ ব্যাংক খামারটি চুক্তিভিত্তিক নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং পরে ওই বছরই সরকারের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর থেকে খামারটি পুরোপুরিভাবে উৎপাদনে যেতে পারেনি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সংস্কার করা হলেও লোকবল সংকটে তা বন্ধ হয়ে যায়।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন খামারটি চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন। খামারের ব্যবস্থাপক মো. মোতাছিম বিল্লাহ ইতোমধ্যে সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। তিনি আশা করছেন আগামী মৌসুম থেকে খামারটি আবার রেণু উৎপাদন শুরু করতে পারবে।

চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ জানিয়েছেন, “আমরা মৎস্য খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় খামারটি সংস্কার করব। আগামী অর্থবছর থেকে খামারটি রেণু উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

এই খামারটি পুনরায় চালু হলে মিরসরাইয়ের মৎস্যচাষীরা সহজেই গুণগত মানসম্পন্ন মৎস্য বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।