চট্টগ্রাম বন্দরে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা সাবেক সংসদ সদস্যদের (এমপি) গাড়িসহ ৪৪টি গাড়ির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নিলামে মোট ১৩৭টি দরপত্র জমা পড়েছে। সাবেক এমপিদের ২৪টি গাড়ির মধ্যে ১৪টিতে দরপত্র জমা পড়েছে। গাড়িগুলো কিনতে ৩২ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল করেছে।
২৭ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে গতকাল (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে নিলামের প্রস্তাবিত দরপত্র দাখিলের সুযোগ ছিল। এছাড়া, ২ থেকে ৪ঠা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিলামে অংশগ্রহণকারীরা গাড়িগুলো সরেজমিনে দেখার সুযোগ পান।
নিলামে তোলা ৪৪টি গাড়ির মধ্যে ২৪টি সাবেক এমপিদের জন্য আনা বিলাসবহুল ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি। প্রতিটি গাড়ির সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯ কোটি ৬৭ লাখ ৩ হাজার ৮৯৯ টাকা। এছাড়াও, নিলামে পাঁচটি টয়োটা হ্যারিয়ার, দুইটি টয়োটা র্যাভফোর, একটি টয়োটা এস্কোয়ার এবং চীনের তৈরি ১০টি হেভি ডিউটির সিনো ডাম্প ট্রাক ছিল।
২০১৯ মডেলের টয়োটা এস্কোয়ারে সর্বোচ্চ ২০টি দরপত্র জমা পড়েছে। ২০১৮ মডেলের একটি টয়োটা হ্যারিয়ারে ১৩টি এবং ২০২০ মডেলের একটি টয়োটা হ্যারিয়ারে ৯টি দরপত্র জমা পড়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার মো. সাকিব হোসেন জানান, গাড়ির নিলামে বিডারদের অনেক আগ্রহ দেখা গেছে। সাবেক এমপিদের আনা গাড়িগুলোতেও বিড হয়েছে। তবে অন্য গাড়িগুলোতে বিডারদের আগ্রহ বেশি।
তিনি আরও জানান, দরপত্রের বাক্সগুলো খুলে যাচাই-বাছাই শেষে কারা গাড়ি পেলেন, তা প্রকাশ করা হবে।
আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে আমদানিকারককে সরবরাহ নিতে হয়। অন্যথায়, নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহ না নিলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তা নিলামে তুলতে পারে। মিথ্যা ঘোষণায় জব্দ করা পণ্যও নিলামে তোলা যায়।
দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়ম কার্যকর না হওয়ায় বন্দরে কন্টেইনার জট লেগে থাকে এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ চার্জ পায় না।