সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

সর্বশেষ

খাতুনগঞ্জে ভোগ্যপণ্যের দাম কমছে, ভোজ্যতেল ঊর্ধ্বমুখী

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে রমজানের আগে প্রায় সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম কমছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় দাম নিম্নমুখী হয়েছে। প্রতিটি দোকানে প্রচুর পরিমাণে পণ্য মজুদ রয়েছে।

বুধবার খাতুনগঞ্জের বাজারে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ার ছোলা কেজিতে ৩ টাকা কমে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের অবিক্রিত ভারতীয় ছোলা ৪ টাকা কমে ৯৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসুর ডালের দাম কেজিতে ২ টাকা কমে ১২৫ টাকা, মটর ডাল ৫ টাকা কমে ৫৫ টাকা, খেসারি ডাল ৫ টাকা কমে ১০১ টাকা এবং চিনি ৪ টাকা কমে ১১৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিড়ার দামও কেজিতে ২ টাকা কমে ৫৬ টাকায় নেমেছে।

তবে ভোজ্যতেলের বাজার এখনো চড়া। পাম তেল মণপ্রতি ৫ হাজার ৮০০ টাকা এবং সয়াবিন তেল ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ৩৫-৪০ টাকায়, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫ টাকা কমে ৫৮-৬০ টাকায়, চীনা রসুন ২০ টাকা কমে ২১২ টাকায়, চীনা আদা ৫০ টাকা কমে ১৩৫ টাকায় এবং ভারতীয় কেরালা আদা ২০ টাকা কমে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাক্তাই আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি আহসান খালেদ পারভেজ জানান, বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতির দিকে। পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের বাজারও সহনশীল রয়েছে।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন বলেন, রমজানের আগে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়লেও ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির। ছোলার দাম কমছে, প্রচুর ছোলা আমদানি হয়েছে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত বছরের চেয়ে কিছু পণ্যের দাম বেশি।

ভোক্তা আহমেদ হোসেন জানান, ভোগ্যপণ্যের বাজার ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। পাইকারিতে দাম কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়তে সময় লাগে। তিনি প্রশাসনের নিয়মিত বাজার তদারকির আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম বাড়াতে না পারেন।

পাঠকপ্রিয়