সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

নাইজারে ফরাসি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার, সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পথে

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

নাইজারের সামরিক জান্তা দেশটিতে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত সিলভা ইতকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

জান্তার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রদূত ইত নাইজারের নব-নিয়োজিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। এছাড়াও ফ্রান্স সরকার নাইজারের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ফ্রান্স জানিয়েছে যে, অস্ত্রের মুখে ক্ষমতা দখলকারীদের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের কোনো আইনি অধিকার নেই।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই নাইজারে সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এরপর থেকেই নাইজার ও ফ্রান্সের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে।

এদিকে, পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক জোট ইকোওয়াস নাইজারের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজৌমকে ক্ষমতায় পুনর্বহালের জন্য জান্তার উপর চাপ সৃষ্টি করছে। ফ্রান্স ইকোওয়াসের এই পদক্ষেপে সমর্থন জানিয়েছে।

অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মালি ও বুরকিনা ফাসোতেও ফ্রান্সের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। নাইজারেও একই ঘটনা ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

নাইজারে ফরাসি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার, সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পথে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ আগস্ট ২০২৩, ০৭:২০

নাইজারের সামরিক জান্তা দেশটিতে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত সিলভা ইতকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

জান্তার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রদূত ইত নাইজারের নব-নিয়োজিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। এছাড়াও ফ্রান্স সরকার নাইজারের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ফ্রান্স জানিয়েছে যে, অস্ত্রের মুখে ক্ষমতা দখলকারীদের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের কোনো আইনি অধিকার নেই।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই নাইজারে সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এরপর থেকেই নাইজার ও ফ্রান্সের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে।

এদিকে, পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক জোট ইকোওয়াস নাইজারের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজৌমকে ক্ষমতায় পুনর্বহালের জন্য জান্তার উপর চাপ সৃষ্টি করছে। ফ্রান্স ইকোওয়াসের এই পদক্ষেপে সমর্থন জানিয়েছে।

অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মালি ও বুরকিনা ফাসোতেও ফ্রান্সের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। নাইজারেও একই ঘটনা ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।