সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

ইরান থেকে অবৈধ এলপিজি আমদানির অভিযোগে তোলপাড়

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপিত রাষ্ট্র ইরান থেকে অবৈধভাবে দুই জাহাজ এলপিজি আমদানি করার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের ৫ সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।

এলপিজি অপারেটর্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব) নৌ পরিবহন উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত দুটি জাহাজে ইরান থেকে আমদানি নিষিদ্ধ এলপিজি রয়েছে।

লোয়াবের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫২ টন এলপিজি ইরান থেকে অবৈধভাবে আমদানি করেছে। এর ফলে ১৭৫ মিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। চক্রটির সাথে চট্টগ্রামের একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংক এলসি খোলার মাধ্যমে এই অবৈধ আমদানিতে সহায়তা করেছে।

লোয়াব জানিয়েছে, ইরান থেকে এলপিজি আমদানি করে প্রথমে ইরাকে পাঠানো হচ্ছে এবং পরবর্তীতে ইরাকি বন্দর থেকে পণ্য লোডের তথ্য দেখিয়ে বাংলাদেশে আমদানি করা হচ্ছে।

অভিযোগে ‘জি ওয়াইএমএম’ এবং ‘জে টাইগার’ নামে দুটি জাহাজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, জাহাজ দুটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর একই।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের বিল অব এন্ট্রি এবং ইমপোর্ট জেনারেল মেনুফেস্ট (আইজিএম)সহ বিভিন্ন কাগজপত্রের কপি প্রমাণ হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে।

লোয়াবের দাবি, ইরাকের বসরা গ্যাস কোম্পানি নিশ্চিত করেছে যে, তারা ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে কোনো এলপিজি লোড করেনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইরান থেকে আমদানিকৃত এলপিজিতে গন্ধের সঠিক ব্যবহার না থাকায় তা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এছাড়া অবৈধ আমদানির ফলে বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেম্বার (হারবার) এর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করে জাহাজ দুটি পরিদর্শন করা হয়েছে। বন্দর সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

তবে তদন্তের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

ইরান থেকে অবৈধ এলপিজি আমদানির অভিযোগে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ অক্টোবর ২০২৪, ১২:৫৬

বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপিত রাষ্ট্র ইরান থেকে অবৈধভাবে দুই জাহাজ এলপিজি আমদানি করার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের ৫ সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।

এলপিজি অপারেটর্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব) নৌ পরিবহন উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত দুটি জাহাজে ইরান থেকে আমদানি নিষিদ্ধ এলপিজি রয়েছে।

লোয়াবের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫২ টন এলপিজি ইরান থেকে অবৈধভাবে আমদানি করেছে। এর ফলে ১৭৫ মিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। চক্রটির সাথে চট্টগ্রামের একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংক এলসি খোলার মাধ্যমে এই অবৈধ আমদানিতে সহায়তা করেছে।

লোয়াব জানিয়েছে, ইরান থেকে এলপিজি আমদানি করে প্রথমে ইরাকে পাঠানো হচ্ছে এবং পরবর্তীতে ইরাকি বন্দর থেকে পণ্য লোডের তথ্য দেখিয়ে বাংলাদেশে আমদানি করা হচ্ছে।

অভিযোগে ‘জি ওয়াইএমএম’ এবং ‘জে টাইগার’ নামে দুটি জাহাজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, জাহাজ দুটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর একই।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের বিল অব এন্ট্রি এবং ইমপোর্ট জেনারেল মেনুফেস্ট (আইজিএম)সহ বিভিন্ন কাগজপত্রের কপি প্রমাণ হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে।

লোয়াবের দাবি, ইরাকের বসরা গ্যাস কোম্পানি নিশ্চিত করেছে যে, তারা ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে কোনো এলপিজি লোড করেনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইরান থেকে আমদানিকৃত এলপিজিতে গন্ধের সঠিক ব্যবহার না থাকায় তা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এছাড়া অবৈধ আমদানির ফলে বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেম্বার (হারবার) এর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করে জাহাজ দুটি পরিদর্শন করা হয়েছে। বন্দর সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

তবে তদন্তের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।