সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাইপাস ও ফ্লাইওভার: ২০২৫ সালে শুরু হবে নির্মাণকাজ

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের যানজট নিরসনে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর অর্থায়নে ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মোট ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্পের মধ্যে জাইকা ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা, যা সরকারি তহবিল থেকে সরবরাহ করা হবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রকল্প পরিচালক শ্যামল কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ জটিল হওয়ায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পণ্যবাহী যানবাহন এবং কক্সবাজারগামী পর্যটকদের যানজটের দুর্ভোগ লাঘবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় পটিয়া বাইপাস ৬ লেনে উন্নীত করা, দোহাজারী বাজারে বাইপাস, সাতকানিয়ার কেরানীহাটে সাড়ে ৩ কিলোমিটারের ফ্লাইওভার, লোহাগাড়ার আমিরাবাদে এবং চকরিয়ায় বাইপাস নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের কাজ চলছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ডিটেইল ডিজাইন সম্পন্ন হলে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝিতে টেন্ডার আহ্বান এবং বছরের শেষের দিকে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়াও, ৫টি বাইপাসের বাইরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের অবশিষ্ট ১০৭ কিলোমিটার অংশও জাইকার অর্থায়নে উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রামের মইজ্জ্যারটেক থেকে চকরিয়া পর্যন্ত অংশ উন্নয়নের প্রস্তাব জাইকা কর্তৃপক্ষ দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাইপাস ও ফ্লাইওভার: ২০২৫ সালে শুরু হবে নির্মাণকাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ নভেম্বর ২০২৪, ২২:১৪

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের যানজট নিরসনে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর অর্থায়নে ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মোট ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্পের মধ্যে জাইকা ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা, যা সরকারি তহবিল থেকে সরবরাহ করা হবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রকল্প পরিচালক শ্যামল কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ জটিল হওয়ায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পণ্যবাহী যানবাহন এবং কক্সবাজারগামী পর্যটকদের যানজটের দুর্ভোগ লাঘবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় পটিয়া বাইপাস ৬ লেনে উন্নীত করা, দোহাজারী বাজারে বাইপাস, সাতকানিয়ার কেরানীহাটে সাড়ে ৩ কিলোমিটারের ফ্লাইওভার, লোহাগাড়ার আমিরাবাদে এবং চকরিয়ায় বাইপাস নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের কাজ চলছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ডিটেইল ডিজাইন সম্পন্ন হলে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝিতে টেন্ডার আহ্বান এবং বছরের শেষের দিকে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়াও, ৫টি বাইপাসের বাইরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের অবশিষ্ট ১০৭ কিলোমিটার অংশও জাইকার অর্থায়নে উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রামের মইজ্জ্যারটেক থেকে চকরিয়া পর্যন্ত অংশ উন্নয়নের প্রস্তাব জাইকা কর্তৃপক্ষ দিয়েছে।