সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

বিদ্যুতের তারের জট: চট্টগ্রামের জন্য ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ স্বপ্ন

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

চট্টগ্রাম মহানগরীর ঝুলন্ত বিদ্যুতের তারগুলো ২০২২ সালের মধ্যে মাটির নিচে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও তিন বছরেও সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি।

২০২০ সালে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামসহ দেশের চারটি বড় শহরে (চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা ও ঢাকা) সকল বৈদ্যুতিক তার আন্ডারগ্রাউন্ডে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। প্রথম ধাপে পিডিবি তাদের অধীন চারটি বড় শহরে মাটির নিচে বিদ্যুতের তার নেওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি ‘এনার্জিট্রোন’ এবং ‘আর অ্যান্ড ডি কে আই এস গ্রুপ’-কে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দেয়।

ওই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে কোম্পানি দুটির একটি চুক্তি সই হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং এক বছরের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সময়মতো রিপোর্ট জমা দিলেও, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ চট্টগ্রাম অঞ্চলের সার্কেল (পূর্ব) এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, “চট্টগ্রাম মহানগরীর সকল বৈদ্যুতিক তার আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সম্ভাব্যতা যাচাইও হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে প্রকল্পটি আর সেইভাবে এগোয়নি। এখন হওয়ার সম্ভাবনাও কম।”

উল্লেখ্য, আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলিং ব্যয়বহুল হলেও দেশের প্রতিটি মেট্রোপলিটন শহরে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা থাকলেও, তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

বিদ্যুতের তারের জট: চট্টগ্রামের জন্য ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ স্বপ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৪:২২

চট্টগ্রাম মহানগরীর ঝুলন্ত বিদ্যুতের তারগুলো ২০২২ সালের মধ্যে মাটির নিচে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও তিন বছরেও সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি।

২০২০ সালে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামসহ দেশের চারটি বড় শহরে (চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা ও ঢাকা) সকল বৈদ্যুতিক তার আন্ডারগ্রাউন্ডে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। প্রথম ধাপে পিডিবি তাদের অধীন চারটি বড় শহরে মাটির নিচে বিদ্যুতের তার নেওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি ‘এনার্জিট্রোন’ এবং ‘আর অ্যান্ড ডি কে আই এস গ্রুপ’-কে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দেয়।

ওই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে কোম্পানি দুটির একটি চুক্তি সই হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং এক বছরের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সময়মতো রিপোর্ট জমা দিলেও, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিতরণ চট্টগ্রাম অঞ্চলের সার্কেল (পূর্ব) এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, “চট্টগ্রাম মহানগরীর সকল বৈদ্যুতিক তার আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সম্ভাব্যতা যাচাইও হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে প্রকল্পটি আর সেইভাবে এগোয়নি। এখন হওয়ার সম্ভাবনাও কম।”

উল্লেখ্য, আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলিং ব্যয়বহুল হলেও দেশের প্রতিটি মেট্রোপলিটন শহরে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা থাকলেও, তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।