সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

সয়াবিন তেলের সংকট অব্যাহত, দামে আগুন

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সব দাবি মানার পরও বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। তদারকি সংস্থার নজরদারির অভাবে মিল থেকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করায় ডিলারের কাছে পর্যাপ্ত তেল নেই। ফলে খুচরা পর্যায়ে সরবরাহে টান পড়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম আরেক দফা বেড়েছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট বিরাজ করছে। পাঁচ লিটারের বোতল সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ডিলাররা এখনও তেলের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করেনি। সরকারিভাবে মূল্য আরও বাড়ানোর জন্য এখনও বাজারে সংকট সৃষ্টি করে রেখেছে।

এদিকে, বাজারে সরবরাহ বাড়লেও প্রতি কেজি আলু মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৮০ টাকা। প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা। মাঝারি মানের চালের মধ্যে পাইজাম ও বিআর ২৮ জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২-৬৫ টাকা। আর মিনিকেট প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা।

খুচরা বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। সঙ্গে আমদানি বাড়ায় দামও কমতে শুরু করেছে। তবে যে হারে বেড়েছে সেই হারে কমছে না। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০-১২৫ টাকা। পাশাপাশি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৯০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, বাজারে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি ভোজ্যতেল নিয়ে কারসাজি করছে। সরকার চাইলে সব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কিন্তু তা না করে ব্যবসায়ীদের কথা মানলেও সেই সিন্ডিকেট চক্র এখনও বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ায়নি। সরকারিভাবে দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

সয়াবিন তেলের সংকট অব্যাহত, দামে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৪:৩০

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সব দাবি মানার পরও বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। তদারকি সংস্থার নজরদারির অভাবে মিল থেকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করায় ডিলারের কাছে পর্যাপ্ত তেল নেই। ফলে খুচরা পর্যায়ে সরবরাহে টান পড়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম আরেক দফা বেড়েছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট বিরাজ করছে। পাঁচ লিটারের বোতল সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ডিলাররা এখনও তেলের সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করেনি। সরকারিভাবে মূল্য আরও বাড়ানোর জন্য এখনও বাজারে সংকট সৃষ্টি করে রেখেছে।

এদিকে, বাজারে সরবরাহ বাড়লেও প্রতি কেজি আলু মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৮০ টাকা। প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা। মাঝারি মানের চালের মধ্যে পাইজাম ও বিআর ২৮ জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২-৬৫ টাকা। আর মিনিকেট প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা।

খুচরা বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। সঙ্গে আমদানি বাড়ায় দামও কমতে শুরু করেছে। তবে যে হারে বেড়েছে সেই হারে কমছে না। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০-১২৫ টাকা। পাশাপাশি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৯০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, বাজারে হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি ভোজ্যতেল নিয়ে কারসাজি করছে। সরকার চাইলে সব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কিন্তু তা না করে ব্যবসায়ীদের কথা মানলেও সেই সিন্ডিকেট চক্র এখনও বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ায়নি। সরকারিভাবে দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে।