সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

কর্ণফুলী সেতুতে সুখবর: টোল প্লাজা হচ্ছে আরও প্রশস্ত

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুতে যানজট নিরসনে টোল প্লাজার দুই পাশে দুই লেন সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) তত্ত্বাবধানে ৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পের আওতায় মইজ্জ্যারটেক টোল প্লাজা সংলগ্ন মহাসড়কের অ্যাপ্রোচ রোডে নতুন আরসিসি পেভমেন্ট রোড এবং ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট নির্মাণ করা হবে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা জানান, গত সপ্তাহ থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে টোল প্লাজায় দুই পাশে ৪টি করে মোট ৮টি বুথ রয়েছে। এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও দুটি লেন যুক্ত হয়ে বুথের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০টিতে।

শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজার ইজারাদার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কোম্পানি সেল-ভ্যান জেভির প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুমন ঘোষ জানান, সেতু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৭ হাজারেরও বেশি গাড়ি চলাচল করে। বিশেষ ছুটির দিনগুলোতে গাড়ির চাপ আরও বেড়ে যায়, ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। নতুন দুটি লেন যুক্ত হলে যানজট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নিজাম বলেন, যানজট নিরসনের লক্ষ্যে বিদ্যমান টোল প্লাজার দুই পাশে দুটি লেন বাড়ানো হচ্ছে। কাজটি দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে এবং এতে ব্যয় হবে ৪ কোটি ৯০ লাখ ৫৯ হাজার ২৫৯ টাকা ৫৬ পয়সা। চুক্তি অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মইজ্জ্যারটেক এলাকার ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) আবু সাঈদ বাকার জানান, এই রুটে যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। নতুন করে ট্রাফিক পুলিশ বক্স নির্মাণের কাজ চলছে।

প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে অফিস ছুটির পর থেকে এবং শুক্রবার ও শনিবার শাহ আমানত সেতু এলাকায় যানজটের কারণে যাত্রী, অ্যাম্বুলেন্স রোগী, শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবীসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। টোল আদায়ে ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে যানজট সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।

তবে টোল আদায়কারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন, অটোরিকশার আধিক্য, চালকদের শৃঙ্খলা না মানা, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, গাড়ির নম্বর প্লেট ঢেকে রাখা, বিভিন্ন পরিচয়ে টোল দিতে না চাওয়া, বড় টাকার নোট দেওয়া এবং সন্ধ্যার পর কারখানার ছুটির কারণে যানজট বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, টোল প্লাজায় যানজট কমাতে আরও চারটি লেন বাড়ানো এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ির চলাচল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

কর্ণফুলী সেতুতে সুখবর: টোল প্লাজা হচ্ছে আরও প্রশস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৩:৫০

কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুতে যানজট নিরসনে টোল প্লাজার দুই পাশে দুই লেন সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) তত্ত্বাবধানে ৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পের আওতায় মইজ্জ্যারটেক টোল প্লাজা সংলগ্ন মহাসড়কের অ্যাপ্রোচ রোডে নতুন আরসিসি পেভমেন্ট রোড এবং ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট নির্মাণ করা হবে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা জানান, গত সপ্তাহ থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে টোল প্লাজায় দুই পাশে ৪টি করে মোট ৮টি বুথ রয়েছে। এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও দুটি লেন যুক্ত হয়ে বুথের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০টিতে।

শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজার ইজারাদার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কোম্পানি সেল-ভ্যান জেভির প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুমন ঘোষ জানান, সেতু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৭ হাজারেরও বেশি গাড়ি চলাচল করে। বিশেষ ছুটির দিনগুলোতে গাড়ির চাপ আরও বেড়ে যায়, ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। নতুন দুটি লেন যুক্ত হলে যানজট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নিজাম বলেন, যানজট নিরসনের লক্ষ্যে বিদ্যমান টোল প্লাজার দুই পাশে দুটি লেন বাড়ানো হচ্ছে। কাজটি দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে এবং এতে ব্যয় হবে ৪ কোটি ৯০ লাখ ৫৯ হাজার ২৫৯ টাকা ৫৬ পয়সা। চুক্তি অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মইজ্জ্যারটেক এলাকার ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) আবু সাঈদ বাকার জানান, এই রুটে যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। নতুন করে ট্রাফিক পুলিশ বক্স নির্মাণের কাজ চলছে।

প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে অফিস ছুটির পর থেকে এবং শুক্রবার ও শনিবার শাহ আমানত সেতু এলাকায় যানজটের কারণে যাত্রী, অ্যাম্বুলেন্স রোগী, শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবীসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। টোল আদায়ে ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে যানজট সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।

তবে টোল আদায়কারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন, অটোরিকশার আধিক্য, চালকদের শৃঙ্খলা না মানা, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, গাড়ির নম্বর প্লেট ঢেকে রাখা, বিভিন্ন পরিচয়ে টোল দিতে না চাওয়া, বড় টাকার নোট দেওয়া এবং সন্ধ্যার পর কারখানার ছুটির কারণে যানজট বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, টোল প্লাজায় যানজট কমাতে আরও চারটি লেন বাড়ানো এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ির চলাচল বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।