সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

বিএসডব্লিউ: এক ক্লিকেই মিলছে আমদানি-রপ্তানির সমাধান

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

মাত্র দেড় মাসের কিছু বেশি সময়ে বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো (বিএসডব্লিউ) সিস্টেমের মাধ্যমে এক লাখেরও বেশি আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিট (সিএলপি) ইস্যু করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, গত ২ জানুয়ারি চালু হওয়া এই সিস্টেমটি এরই মধ্যে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।

এনবিআর-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেপজা, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, ইপিবি, বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন, বেজা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরসহ মোট ৮টি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান বিএসডব্লিউ-এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদ প্রদান করছে।

এনবিআর মনে করে, বিএসডব্লিউ-এর মতো প্ল্যাটফর্ম আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে সরকারি কাজে ব্যক্তিগত যোগাযোগের প্রয়োজন না থাকায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হচ্ছে। একই সাথে কমে আসছে হয়রানি, দুর্নীতি ও অনৈতিক লেনদেনের সুযোগ। ফলে, ব্যবসায়ীরা এখন কম সময় ও খরচে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে পারছেন।

এনবিআর আরও জানিয়েছে, আগামী ১ মার্চ থেকে আমদানি ও রপ্তানি পণ্য চালানের শুল্কায়নের ক্ষেত্রে অন্যান্য সংস্থার সিএলপি-ও বিএসডব্লিউ সিস্টেম থেকে পাওয়া যাবে।

সিঙ্গেল উইন্ডোতে যেসব সুবিধা থাকছে:

আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের এখন থেকে সকল প্রকার সিএলপি সংগ্রহ এবং পণ্য চালান খালাসের জন্য একটিমাত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্মে (বিএসডব্লিউ) প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই চলবে। তথ্যের ভিত্তিতে ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পণ্য খালাস করা যাবে, যা সময় ও খরচ দুটোই সাশ্রয় করবে।

বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (টিএফএ)-তে স্বাক্ষরকারী দেশ। এই চুক্তির আওতায় সিঙ্গেল উইন্ডো স্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এনবিআর-এর এই বৃহৎ প্রকল্পটি ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় শুরু হয়, যার মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরই মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ৩৮টি দপ্তরের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিএসডব্লিউ এবং অ্যাডভান্সড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এআরএমএস) – এই দুটি সিস্টেমের সমন্বয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি কাজ করছে। ব্যবহারকারীরা বিএসডব্লিউ-এর মাধ্যমে সেবার আবেদন করতে পারবেন এবং এআরএমএস-এর মাধ্যমে যেকোনো সহায়তা নিতে পারবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

বিএসডব্লিউ: এক ক্লিকেই মিলছে আমদানি-রপ্তানির সমাধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫:২৭

মাত্র দেড় মাসের কিছু বেশি সময়ে বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো (বিএসডব্লিউ) সিস্টেমের মাধ্যমে এক লাখেরও বেশি আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সার্টিফিকেট, লাইসেন্স ও পারমিট (সিএলপি) ইস্যু করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, গত ২ জানুয়ারি চালু হওয়া এই সিস্টেমটি এরই মধ্যে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।

এনবিআর-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেপজা, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, ইপিবি, বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন, বেজা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরসহ মোট ৮টি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান বিএসডব্লিউ-এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনদ প্রদান করছে।

এনবিআর মনে করে, বিএসডব্লিউ-এর মতো প্ল্যাটফর্ম আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে সরকারি কাজে ব্যক্তিগত যোগাযোগের প্রয়োজন না থাকায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হচ্ছে। একই সাথে কমে আসছে হয়রানি, দুর্নীতি ও অনৈতিক লেনদেনের সুযোগ। ফলে, ব্যবসায়ীরা এখন কম সময় ও খরচে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে পারছেন।

এনবিআর আরও জানিয়েছে, আগামী ১ মার্চ থেকে আমদানি ও রপ্তানি পণ্য চালানের শুল্কায়নের ক্ষেত্রে অন্যান্য সংস্থার সিএলপি-ও বিএসডব্লিউ সিস্টেম থেকে পাওয়া যাবে।

সিঙ্গেল উইন্ডোতে যেসব সুবিধা থাকছে:

আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের এখন থেকে সকল প্রকার সিএলপি সংগ্রহ এবং পণ্য চালান খালাসের জন্য একটিমাত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্মে (বিএসডব্লিউ) প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই চলবে। তথ্যের ভিত্তিতে ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পণ্য খালাস করা যাবে, যা সময় ও খরচ দুটোই সাশ্রয় করবে।

বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (টিএফএ)-তে স্বাক্ষরকারী দেশ। এই চুক্তির আওতায় সিঙ্গেল উইন্ডো স্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এনবিআর-এর এই বৃহৎ প্রকল্পটি ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় শুরু হয়, যার মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরই মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ৩৮টি দপ্তরের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিএসডব্লিউ এবং অ্যাডভান্সড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এআরএমএস) – এই দুটি সিস্টেমের সমন্বয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি কাজ করছে। ব্যবহারকারীরা বিএসডব্লিউ-এর মাধ্যমে সেবার আবেদন করতে পারবেন এবং এআরএমএস-এর মাধ্যমে যেকোনো সহায়তা নিতে পারবেন।