সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

চবিতে সংঘর্ষ: মাথায় ব্যান্ডেজে লেখা ‘হাড় নেই, চাপ দেবেন না’

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

মাথায় ব্যান্ডেজে লেখা ‘হাড় নেই, চাপ দেবেন না’—চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার খুলির একটি অংশ অস্ত্রোপচারে ফেলে দিতে হয়েছে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত আরও দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ইমতিয়াজ আহমেদ পাঁচ দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাইমুল ইসলাম নামে আরেকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গত শনিবার ও রবিবারের ওই সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপ-উপাচার্যসহ দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছিলেন।

আহত সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়া বর্তমানে চট্টগ্রামের পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাসপাতালের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বৃহস্পতিবার বলেন, “মামুনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে, তিনি খাবার খেয়েছেন। কেউ যাতে ভুলে মাথায় হাত না দেয়, তাই ব্যান্ডেজে ওই নির্দেশনা লিখে দেওয়া হয়েছে।”

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, লাইফ সাপোর্টে থাকা ইমতিয়াজ আহমেদের ‘কনশাস লেভেল’ বা জ্ঞানস্তর ছয়ের কাছাকাছি রয়েছে, যা স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রে ১৫ থাকে। এটি ১০-এর ওপরে না ওঠা পর্যন্ত তাকে আশঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না।

গত শনিবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়, যা পরদিন দুপুর পর্যন্ত চলে। সংঘর্ষে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ অন্তত ২০০ শিক্ষার্থী আহত হন। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তাদেরও ১০ থেকে ১২ জন বাসিন্দা আহত হয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

চবিতে সংঘর্ষ: মাথায় ব্যান্ডেজে লেখা ‘হাড় নেই, চাপ দেবেন না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২৩:০২

মাথায় ব্যান্ডেজে লেখা ‘হাড় নেই, চাপ দেবেন না’—চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার খুলির একটি অংশ অস্ত্রোপচারে ফেলে দিতে হয়েছে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত আরও দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ইমতিয়াজ আহমেদ পাঁচ দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাইমুল ইসলাম নামে আরেকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গত শনিবার ও রবিবারের ওই সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপ-উপাচার্যসহ দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছিলেন।

আহত সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়া বর্তমানে চট্টগ্রামের পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাসপাতালের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বৃহস্পতিবার বলেন, “মামুনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে, তিনি খাবার খেয়েছেন। কেউ যাতে ভুলে মাথায় হাত না দেয়, তাই ব্যান্ডেজে ওই নির্দেশনা লিখে দেওয়া হয়েছে।”

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, লাইফ সাপোর্টে থাকা ইমতিয়াজ আহমেদের ‘কনশাস লেভেল’ বা জ্ঞানস্তর ছয়ের কাছাকাছি রয়েছে, যা স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রে ১৫ থাকে। এটি ১০-এর ওপরে না ওঠা পর্যন্ত তাকে আশঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না।

গত শনিবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়, যা পরদিন দুপুর পর্যন্ত চলে। সংঘর্ষে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফসহ অন্তত ২০০ শিক্ষার্থী আহত হন। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তাদেরও ১০ থেকে ১২ জন বাসিন্দা আহত হয়েছেন।