সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

চট্টগ্রাম কাস্টমসে ৪৯ লট পণ্যের ই-অকশন

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক্সসহ ৪৯ লট পণ্য অনলাইন নিলামে (ই-অকশন) তোলা হচ্ছে। আগামীকাল রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১০ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। আগ্রহী বিডাররা (নিলামে অংশগ্রহণকারী) আগামী ৩ ও ৪ ডিসেম্বর সরাসরি পণ্য দেখতে পারবেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সাল থেকে ই-অকশন চালু হয়। এর আগে বিভিন্ন সময়ে পেঁয়াজ, বিলাসবহুল গাড়ি ও অন্যান্য পণ্য নিলামে তোলা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি, মে, জুন, সেপ্টেম্বর এবং নভেম্বর মাসে বিভিন্ন পণ্যের ই-অকশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে বিডাররা বলছেন, অনলাইন নিলামে এখনো অনেকে অভ্যস্ত হতে পারেননি। এছাড়াও অনলাইন নিলামের অনেকগুলো কাজ এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করতে হচ্ছে। শুধুমাত্র দরপত্র জমাটা অনলাইনে হচ্ছে। তাই অনলাইন নিলামের পাশাপাশি যদি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেও নিলাম আয়োজন করা হয়, তবে বিডাররা উপকৃত হতেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার মো. সেলিম রেজা জানান, এটি একটি নিয়মিত কাজ।

উল্লেখ্য, আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। কোনো আমদানিকারক সময়মত পণ্য সরবরাহ না নিলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তা নিলামে তুলতে পারে। এছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় জব্দ পণ্যও নিলামে তোলা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

চট্টগ্রাম কাস্টমসে ৪৯ লট পণ্যের ই-অকশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:১৯

চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক্সসহ ৪৯ লট পণ্য অনলাইন নিলামে (ই-অকশন) তোলা হচ্ছে। আগামীকাল রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১০ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। আগ্রহী বিডাররা (নিলামে অংশগ্রহণকারী) আগামী ৩ ও ৪ ডিসেম্বর সরাসরি পণ্য দেখতে পারবেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সাল থেকে ই-অকশন চালু হয়। এর আগে বিভিন্ন সময়ে পেঁয়াজ, বিলাসবহুল গাড়ি ও অন্যান্য পণ্য নিলামে তোলা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি, মে, জুন, সেপ্টেম্বর এবং নভেম্বর মাসে বিভিন্ন পণ্যের ই-অকশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে বিডাররা বলছেন, অনলাইন নিলামে এখনো অনেকে অভ্যস্ত হতে পারেননি। এছাড়াও অনলাইন নিলামের অনেকগুলো কাজ এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করতে হচ্ছে। শুধুমাত্র দরপত্র জমাটা অনলাইনে হচ্ছে। তাই অনলাইন নিলামের পাশাপাশি যদি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেও নিলাম আয়োজন করা হয়, তবে বিডাররা উপকৃত হতেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার মো. সেলিম রেজা জানান, এটি একটি নিয়মিত কাজ।

উল্লেখ্য, আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। কোনো আমদানিকারক সময়মত পণ্য সরবরাহ না নিলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তা নিলামে তুলতে পারে। এছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় জব্দ পণ্যও নিলামে তোলা যায়।