সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে এবি পার্টির বিজয় পদযাত্রা ও সমাবেশ

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

মহান বিজয় দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা, জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং সমাবেশের আয়োজন করেছে এবি পার্টি।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় কালুশাহ মাজারের পাশে পুলিশ বক্স থেকে শুরু হওয়া এই পদযাত্রায় জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে ডিসি পার্ক জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে কালুশাহ মাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক এডভোকেট গোলাম ফারুক পদযাত্রা উদ্বোধন করেন।

বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও এবি পার্টির নেতা হায়দার আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক ছিদ্দিকুর রহমান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব এডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম, চট্টগ্রাম মহানগর অর্থ ও প্রচার সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার যায়েদ হাসান চৌধুরী, যুব পার্টির সমন্বয়ক আব্দুর রহমান মনির, সহ সমন্বয়ক মুহাম্মদ জাবেদ, যুব নেতা রূপস বড়ুয়া রাজু, নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

বিজয় পদযাত্রা উদ্বোধনকালে এডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের যে অঙ্গীকার ছিল তা নানা কারণে আমরা ভঙ্গ করেছি। এবি পার্টি এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করছে। যুবকদের নিয়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায়।”

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এবি পার্টির নেতাকর্মীরা জাতীয় সঙ্গীত, মুক্তিযুদ্ধের গান এবং দেশাত্মবোধক গান গেয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, “বিজয়ের ৫৪ বছরেও বাংলাদেশের মানুষ রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পায়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এই মালিকানা ফেরত পাওয়ার ঐতিহাসিক মূহুর্ত আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে কাউকে দিব না।”

তিনি আরও বলেন, “এবি পার্টি বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। যেখানে জনগণের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিনোদনের পরিপূর্ণ নিশ্চয়তা থাকবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

চট্টগ্রামে এবি পার্টির বিজয় পদযাত্রা ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৪৪

মহান বিজয় দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা, জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং সমাবেশের আয়োজন করেছে এবি পার্টি।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় কালুশাহ মাজারের পাশে পুলিশ বক্স থেকে শুরু হওয়া এই পদযাত্রায় জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করে ডিসি পার্ক জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে কালুশাহ মাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক এডভোকেট গোলাম ফারুক পদযাত্রা উদ্বোধন করেন।

বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও এবি পার্টির নেতা হায়দার আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক ছিদ্দিকুর রহমান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব এডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম, চট্টগ্রাম মহানগর অর্থ ও প্রচার সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার যায়েদ হাসান চৌধুরী, যুব পার্টির সমন্বয়ক আব্দুর রহমান মনির, সহ সমন্বয়ক মুহাম্মদ জাবেদ, যুব নেতা রূপস বড়ুয়া রাজু, নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

বিজয় পদযাত্রা উদ্বোধনকালে এডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের যে অঙ্গীকার ছিল তা নানা কারণে আমরা ভঙ্গ করেছি। এবি পার্টি এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করছে। যুবকদের নিয়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায়।”

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এবি পার্টির নেতাকর্মীরা জাতীয় সঙ্গীত, মুক্তিযুদ্ধের গান এবং দেশাত্মবোধক গান গেয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, “বিজয়ের ৫৪ বছরেও বাংলাদেশের মানুষ রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পায়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এই মালিকানা ফেরত পাওয়ার ঐতিহাসিক মূহুর্ত আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে কাউকে দিব না।”

তিনি আরও বলেন, “এবি পার্টি বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। যেখানে জনগণের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিনোদনের পরিপূর্ণ নিশ্চয়তা থাকবে।”