সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

জুলাই বিপ্লবে আমাদের কথাই প্রতিফলিত হয়েছে : চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এবি পার্টি

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের মানুষ চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও খুনখারাবির রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) নেতারা। দলের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার চট্টগ্রামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনীতিতে ‘পুরাতন বন্দোবস্ত’ আর গ্রহণযোগ্য নয়।

এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দলের নেতারা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে এবি পার্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুরাতন বন্দোবস্ত গ্রহণযোগ্য নয়।”

দলের জাতীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্র জনতা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি ও খুনখারাবির রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।”

তিনি দাবি করেন, ২০১৯ সাল থেকে এবি পার্টি যেসব কথা বলে আসছে, তার উপর ভিত্তি করেই ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে, যার প্রমাণ দেওয়ালের গ্রাফিতিতে দেখা যায়। তার মতে, এবি পার্টির “দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজনীতি ও সমস্যার সমাধানের রাজনৈতিক অ্যাপ্রোচ” দেশের তরুণদের আকৃষ্ট করছে।

শুভেচ্ছা বিনিময় পর্বে অংশ নিয়ে জনসংহতি আন্দোলনের চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক হাসান মারুফ রুমি এবি পার্টির সঙ্গে তার পুরানো যোগাযোগের কথা স্মরণ করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা জোবায়ের আল মানিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এবি পার্টির সঙ্গে একযোগে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন। গণ অধিকার আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ২০১৮ সাল থেকেই তারা এবি পার্টির সঙ্গে রাজপথে আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।

এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম আশা প্রকাশ করে বলেন, এবি পার্টির বক্তব্য দেশের মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

“শুভেচ্ছা বিনিময়, কেক কাটা ও স্মৃতিচারণ” শীর্ষক এই অনুষ্ঠান শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে।

স্মৃতিচারণ পর্বে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক হায়দার আলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সদস্য সচিব ও এবি যুব পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়ক আব্দুর রহমান মনির, সহ-সমন্বয়ক মোহাম্মদ জাবেদ, যুবনেতা রোটারিয়ান ওমর ফারুক, বাকলিয়া থানা সমন্বয়ক মোহাম্মদ আজগর, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সোহরাব হোসেন, ব্যবসায়ী নেতা রেজাউল করিম, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এরশাদ হোছাইনসহ ছাত্র, যুব ও শ্রমিক নেতারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

জুলাই বিপ্লবে আমাদের কথাই প্রতিফলিত হয়েছে : চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এবি পার্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মে ২০২৫, ২২:৩৪

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের মানুষ চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও খুনখারাবির রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) নেতারা। দলের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার চট্টগ্রামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনীতিতে ‘পুরাতন বন্দোবস্ত’ আর গ্রহণযোগ্য নয়।

এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দলের নেতারা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এবি পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে এবি পার্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুরাতন বন্দোবস্ত গ্রহণযোগ্য নয়।”

দলের জাতীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্র জনতা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি ও খুনখারাবির রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।”

তিনি দাবি করেন, ২০১৯ সাল থেকে এবি পার্টি যেসব কথা বলে আসছে, তার উপর ভিত্তি করেই ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে, যার প্রমাণ দেওয়ালের গ্রাফিতিতে দেখা যায়। তার মতে, এবি পার্টির “দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজনীতি ও সমস্যার সমাধানের রাজনৈতিক অ্যাপ্রোচ” দেশের তরুণদের আকৃষ্ট করছে।

শুভেচ্ছা বিনিময় পর্বে অংশ নিয়ে জনসংহতি আন্দোলনের চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক হাসান মারুফ রুমি এবি পার্টির সঙ্গে তার পুরানো যোগাযোগের কথা স্মরণ করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা জোবায়ের আল মানিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এবি পার্টির সঙ্গে একযোগে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন। গণ অধিকার আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ২০১৮ সাল থেকেই তারা এবি পার্টির সঙ্গে রাজপথে আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।

এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল কাশেম আশা প্রকাশ করে বলেন, এবি পার্টির বক্তব্য দেশের মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

“শুভেচ্ছা বিনিময়, কেক কাটা ও স্মৃতিচারণ” শীর্ষক এই অনুষ্ঠান শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে।

স্মৃতিচারণ পর্বে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক হায়দার আলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সদস্য সচিব ও এবি যুব পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়ক আব্দুর রহমান মনির, সহ-সমন্বয়ক মোহাম্মদ জাবেদ, যুবনেতা রোটারিয়ান ওমর ফারুক, বাকলিয়া থানা সমন্বয়ক মোহাম্মদ আজগর, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সোহরাব হোসেন, ব্যবসায়ী নেতা রেজাউল করিম, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এরশাদ হোছাইনসহ ছাত্র, যুব ও শ্রমিক নেতারা।