সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

২ বছরেও বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়নি কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন, রাজস্ববঞ্চিত রেলওয়ে

👤
নিজস্ব প্রতিবেদক
0 Shares
f

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম এখনো চালু করতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় বৃহৎ এ স্থাপনার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তারা সময়ক্ষেপণ করেছে। হোটেল, বিপণিবিতান, বিনোদন কেন্দ্র ও অফিস স্পেসের ব্যবস্থা থাকা এই স্থাপনা থেকে বিপুল আয়ের সুযোগ থাকলেও দীর্ঘসূত্রতার কারণে গত দুই বছরে স্টেশনটি থেকে আশানুরূপ আয় হয়নি।

২০২৩ সালের নভেম্বরে স্টেশনটি উদ্বোধন করা হয়। একই সময়ে শেষ হয় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথের নির্মাণকাজ। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও এই পথে চলাচল করছে মাত্র চার জোড়া ট্রেন। অথচ এই রুটে সারা দেশের সঙ্গে দৈনিক ৩০ জোড়া ট্রেন চলাচলের সক্ষমতার কথা জানিয়েছে রেলওয়ে। সব মিলিয়ে ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্বের কারণে আর্থিক ক্ষতিতে পড়েছে সংস্থাটি।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণের ফলে দৈনিক ৩০ জোড়া ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা তৈরি হলেও এর জন্য দুই হাজার বাড়তি জনবল প্রয়োজন। কিন্তু প্রস্তাব পাঠানোর পরও অনুমোদন না হওয়ায় এখনো পুরনো জনবল দিয়েই ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে জনপ্রিয় রুট হওয়া সত্ত্বেও এখানে সীমিতসংখ্যক ট্রেন চলছে।

রেলওয়ের নথিপত্র অনুযায়ী, ২৯ একর জমিতে কক্সবাজার স্টেশন নির্মাণ করা হলেও মূল ভবনটি ২২ দশমিক ৭২ একর জমিতে অবস্থিত। ঝিনুকের আকৃতিতে তৈরি ছয়তলা এই ভবনে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৭ বর্গফুট জায়গা রয়েছে। এখান থেকে মাসে কয়েক কোটি টাকা আয়ের সুযোগ থাকলেও গত ২৭ মাসে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে রেলওয়ে।

সম্প্রতি আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু করতে দরপত্র আহ্বান করেছে রেলওয়ের বাণিজ্যিক বিভাগ। হোটেল ও ট্যুরিস্ট ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দেশি-বিদেশি বা যৌথ অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে এটি ইজারা দিতে চায় তারা। শর্ত অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানকে এককালীন ৫ কোটি টাকা অফেরতযোগ্য রাজস্ব দিতে হবে। পাশাপাশি তারা স্টেশনটির রক্ষণাবেক্ষণ, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ ও কর্মচারী ব্যবস্থাপনা করবে। এর বিনিময়ে নকশাকৃত ফ্লোরগুলোতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তারা স্পেস ভাড়া দিতে পারবে। প্রতি বছর চুক্তিমূল্যের ৫ শতাংশ হারে ভাড়া বাড়ানোর শর্তও রাখা হয়েছে।

গত ২৫ জানুয়ারি পূর্বাঞ্চল রেলের বাণিজ্যিক বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে ‘ইনভিটেশন ফর প্রপোজাল ফর ইন্টিগ্রেটেড ফ্যাসিলিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অপারেশন অব কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন’ শীর্ষক পরিকল্পনায় আগ্রহী প্রতিষ্ঠান বা কনসোর্টিয়ামকে কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও শিডিউল বিক্রির পরিমাণ আশানুরূপ নয়। চট্টগ্রামে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপকের দপ্তর ও পাহাড়তলীতে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটিও শিডিউল বিক্রি হয়নি। ঢাকায় রেল ভবনে উপপরিচালক (টিসি) কার্যালয় থেকে মাত্র তিনটি শিডিউল বিক্রি হয়েছে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীন সংবাদমাধ্যমকে জানান, দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারে এমন আন্তর্জাতিক মানের স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো এ ধরনের উদ্যোগের কারণে ইজারার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। তা ছাড়া উদ্বোধনের পর দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতাও এর জন্য দায়ী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দরপত্র আহ্বান হওয়ায় এখন জটিলতা কেটে যাবে।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃহৎ মাল্টি কমপ্লেক্স স্টেশন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রেলওয়ের ছিল না। বিপুল চাহিদা সত্ত্বেও লোকোমোটিভ ও জনবল সংকটের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে মাত্র দুটি করে ট্রেনের ওপর নির্ভর করছেন যাত্রীরা। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অভাবে রেলওয়ে বাড়তি রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে সারা দেশে রেলের ৭০ হাজার একর ভূমি ও স্থাপনার বাণিজ্যিক ব্যবহার নিশ্চিতেও দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। ২০০৫ সালে ৩৩৭ একরের ফয়’স লেক ৫০ বছরের জন্য বাণিজ্যিক ইজারার ক্ষেত্রেও লাভের পরিবর্তে রেলওয়ে রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তির অসংগতিতে এখনো ভুগছে তারা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন কমপ্লেক্সটি রেলের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলবে নাকি ইজারা দেওয়া হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত এবং ইজারার শর্ত তৈরি করতে কিছুটা সময় ব্যয় হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দরপত্র ঘোষণার ফলে দেশি-বিদেশি যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এটি দীর্ঘমেয়াদে ইজারা দেওয়া সম্ভব হবে এবং এটি কক্সবাজারের পর্যটন খাতে নতুন বৈচিত্র্য নিয়ে আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

পাঠকপ্রিয়

যোগাযোগ: সুপ্রিম মার্কেট, ৩য় তলা , ৩২, এন এ চৌধুরী রোড,  আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম।
ইমেইল : news@banglarpatrika.com
মোবাইল: ০১৭১১-৮৩০৮৭৩

২ বছরেও বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়নি কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন, রাজস্ববঞ্চিত রেলওয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৮

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম এখনো চালু করতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় বৃহৎ এ স্থাপনার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তারা সময়ক্ষেপণ করেছে। হোটেল, বিপণিবিতান, বিনোদন কেন্দ্র ও অফিস স্পেসের ব্যবস্থা থাকা এই স্থাপনা থেকে বিপুল আয়ের সুযোগ থাকলেও দীর্ঘসূত্রতার কারণে গত দুই বছরে স্টেশনটি থেকে আশানুরূপ আয় হয়নি।

২০২৩ সালের নভেম্বরে স্টেশনটি উদ্বোধন করা হয়। একই সময়ে শেষ হয় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথের নির্মাণকাজ। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও এই পথে চলাচল করছে মাত্র চার জোড়া ট্রেন। অথচ এই রুটে সারা দেশের সঙ্গে দৈনিক ৩০ জোড়া ট্রেন চলাচলের সক্ষমতার কথা জানিয়েছে রেলওয়ে। সব মিলিয়ে ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্বের কারণে আর্থিক ক্ষতিতে পড়েছে সংস্থাটি।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণের ফলে দৈনিক ৩০ জোড়া ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা তৈরি হলেও এর জন্য দুই হাজার বাড়তি জনবল প্রয়োজন। কিন্তু প্রস্তাব পাঠানোর পরও অনুমোদন না হওয়ায় এখনো পুরনো জনবল দিয়েই ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে জনপ্রিয় রুট হওয়া সত্ত্বেও এখানে সীমিতসংখ্যক ট্রেন চলছে।

রেলওয়ের নথিপত্র অনুযায়ী, ২৯ একর জমিতে কক্সবাজার স্টেশন নির্মাণ করা হলেও মূল ভবনটি ২২ দশমিক ৭২ একর জমিতে অবস্থিত। ঝিনুকের আকৃতিতে তৈরি ছয়তলা এই ভবনে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৭ বর্গফুট জায়গা রয়েছে। এখান থেকে মাসে কয়েক কোটি টাকা আয়ের সুযোগ থাকলেও গত ২৭ মাসে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে রেলওয়ে।

সম্প্রতি আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু করতে দরপত্র আহ্বান করেছে রেলওয়ের বাণিজ্যিক বিভাগ। হোটেল ও ট্যুরিস্ট ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দেশি-বিদেশি বা যৌথ অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে এটি ইজারা দিতে চায় তারা। শর্ত অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানকে এককালীন ৫ কোটি টাকা অফেরতযোগ্য রাজস্ব দিতে হবে। পাশাপাশি তারা স্টেশনটির রক্ষণাবেক্ষণ, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ ও কর্মচারী ব্যবস্থাপনা করবে। এর বিনিময়ে নকশাকৃত ফ্লোরগুলোতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তারা স্পেস ভাড়া দিতে পারবে। প্রতি বছর চুক্তিমূল্যের ৫ শতাংশ হারে ভাড়া বাড়ানোর শর্তও রাখা হয়েছে।

গত ২৫ জানুয়ারি পূর্বাঞ্চল রেলের বাণিজ্যিক বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে ‘ইনভিটেশন ফর প্রপোজাল ফর ইন্টিগ্রেটেড ফ্যাসিলিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অপারেশন অব কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন’ শীর্ষক পরিকল্পনায় আগ্রহী প্রতিষ্ঠান বা কনসোর্টিয়ামকে কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব জমা দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও শিডিউল বিক্রির পরিমাণ আশানুরূপ নয়। চট্টগ্রামে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপকের দপ্তর ও পাহাড়তলীতে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটিও শিডিউল বিক্রি হয়নি। ঢাকায় রেল ভবনে উপপরিচালক (টিসি) কার্যালয় থেকে মাত্র তিনটি শিডিউল বিক্রি হয়েছে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীন সংবাদমাধ্যমকে জানান, দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজারে এমন আন্তর্জাতিক মানের স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো এ ধরনের উদ্যোগের কারণে ইজারার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। তা ছাড়া উদ্বোধনের পর দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতাও এর জন্য দায়ী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দরপত্র আহ্বান হওয়ায় এখন জটিলতা কেটে যাবে।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃহৎ মাল্টি কমপ্লেক্স স্টেশন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রেলওয়ের ছিল না। বিপুল চাহিদা সত্ত্বেও লোকোমোটিভ ও জনবল সংকটের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে মাত্র দুটি করে ট্রেনের ওপর নির্ভর করছেন যাত্রীরা। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অভাবে রেলওয়ে বাড়তি রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে সারা দেশে রেলের ৭০ হাজার একর ভূমি ও স্থাপনার বাণিজ্যিক ব্যবহার নিশ্চিতেও দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। ২০০৫ সালে ৩৩৭ একরের ফয়’স লেক ৫০ বছরের জন্য বাণিজ্যিক ইজারার ক্ষেত্রেও লাভের পরিবর্তে রেলওয়ে রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তির অসংগতিতে এখনো ভুগছে তারা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন কমপ্লেক্সটি রেলের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলবে নাকি ইজারা দেওয়া হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত এবং ইজারার শর্ত তৈরি করতে কিছুটা সময় ব্যয় হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দরপত্র ঘোষণার ফলে দেশি-বিদেশি যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এটি দীর্ঘমেয়াদে ইজারা দেওয়া সম্ভব হবে এবং এটি কক্সবাজারের পর্যটন খাতে নতুন বৈচিত্র্য নিয়ে আসবে।